মেডিকেলে চান্স পেয়েও ভর্তি অনিশ্চিত মুন্নীর

মেধাবী তাদেরই বলা হয়, যাদের মেধা বিকশিত হয়। অর্থা‌ৎ মেধাবী হওয়া মানে নিজের মেধাকে বিকশিত করা। সবার মেধা একভাবে বিকশিত হয় না।নতুন খবর হচ্ছে,

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস কোর্সের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় মেধাক্রমে ৩১১০তম হয়ে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ দিনাজপুরে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন সুজানগরের হতদরিদ্র ভ্যানচালকের মেয়ে মোছা. জান্নাতুম মৌমিতা মুন্নী।

মেধার জোরে সব বাধা জয় করে মেডিকেলে পড়ার সুযোগ পেলেও আবার সেই আর্থিক দুশ্চিন্তাই তাকে ঘিরে ধরেছে। ভর্তির সুযোগ পেলেও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থ।

আরও পড়ুনঃহেফাজতের কোন কর্মী আসামী শ্রেণিভুক্ত হলে বীনা খরছে তার মামলা পরিচালনার দায়িত্ব নিতে চাই।বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের টাইমলাইনে পোস্ট করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট জনাব,ইমরুল চৌধুরী।বর্তমান সময়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আশার প্রেক্ষাপট নিয়ে দেশে চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা থেকে শুরু করে নানা রকম জটিলতা।

সম্প্রতি হেফাজতের হরতাল করায় পুলিশ অনেক হেফাজত কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।সেই প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট ইমরুল চৌধুরী তার নিজের ফেসবুক আইডি থেকে

একটি পোস্ট করেন এবং তা খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং আসেন ব্যাপক আলোচনার মাঝে। ইতিমধ্যে তিনি অনেক প্রশংসাও পেয়েছেন এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের থেকে।এর আগেও ইসলাম বিদ্বেষীদের বিরুদ্ধে তার পদক্ষেপের কারণে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি।বার্তা ওয়াল্ড সংবাদ এর সাথে ওনার কথপোকথন হয়।

উনি আমাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছেন। আপনি কি হেফাজতের জন্যই নাকি যারা গ্রেফতার হয়েছে তাদের জন্যও আপনার এই উক্তিটি উল্লেখ করেছেন? এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি আমাদের বলেন,”আপনার প্রশ্নের উত্তরে আমি বলব, ‘সকল অন্যায়ের বিপক্ষে আমি। হেফাজত কোন রাজনৈতিক দল নয়। হেফাযত যে শান্তিপুর্ন আন্দোলন করেছে তার সাথে আমি একমত।তাই আমি হেফাজতের সাথে আছি থাকব। হেফাজতের অনেক আইনজীবী আছে।

তবু তারা যদি আমাকে আইনজীবী হিসেবে নিতে চায় তাইলে আমি বিনা স্বার্থে আইনি সহায়তা করব। প্রশাসনের সম্পর্কে উনার মন্তব্য জানতে চাইলে উনি আমাদের জানান,’প্রশাসন এর কোন দোষ নেই। প্রশাসনের সাথে যেসব সন্ত্রাসীরা থাকে তাদেরই দোষ এবং হত্যা ও করেছে পুলিশের সাথে থাকা সন্ত্রাসীরা।দেখুন পুলিশ এর সাথে যারা থাকে এদের পুকিশ ডেকে আনেনা। রাজনোইতিক বিশৃংখলা বাড়ানোর জন্য কিছু রাজনৈতিক ব্যাক্তি এমন করে থাকে। তাই প্রশাসন নিয়ে কোন বক্তব্য নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *